ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২২, ১২ জৈষ্ঠ্য ১৪২৮, ২১ জ্বমাদিউল সানি ১৪৪৩

ব্যাংক চললে পুঁজিবাজারও চলবে



ব্যাংক চললে পুঁজিবাজারও চলবে

করোনারভাইরাসের তৃতীয় ঢেউ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কার মধ্যে চলাচলে বিধিনিষেধে পুঁজিবাজারে লেনদেন চলবে বলে জানিয়েছেন নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসির কমিশনার শেখ শামসুদ্দিন আহমেদ। লকডাউন ও শাটডাউনের সময় লেনদেন চালু থাকার প্রসঙ্গ তুলে ধরে তিনি বলেন, গত বছরে আমরা লেনদেন চালু রেখেছিলাম। এবারও ব্যাংক যেভাবে চলবে পুঁজিবাজার সেভাবেই চলবে। লেনদেন বন্ধ হওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই। সংক্রমণ যতই বাড়ুক পুঁজিবাজারের লেনদেন বন্ধ হবে না, যদি ব্যাংকের লেনদেন চালু থাকে।’

২০২০ সালের মার্চে দেশে করোনা সংক্রমণের পর সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হলে ৬৬ দিন পুঁজিবাজারে লেনদেন বন্ধ থাকে। তবে চালু থাকে ব্যাংক। ২০২১ সালের ৫ এপ্রিল থেকে লকডাউনের ঘোষণা পর বিএসইসি জানায়, ব্যাংক চললে পুঁজিবাজারও চলবে। তবে বাংলাদেশ ব্যাংক আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত নিতে দেরি করার পর লকাউনের আগে দুই কর্মদিবস বড় দরপতন হয়। পরে বাংলাদেশ ব্যাংক যখন জানায়, সীমিত পরিসরে ব্যাংক চলবে, বিএসইসিও তখন সময় কমিয়ে লেনদেন চালানোর সিদ্ধান্ত নেয়। শুরুতে সে সময় ব্যাংক চালু থাকে আড়াই ঘণ্টা, পুঁজিবাজার চালু থাকে ‍দুই ঘণ্টা। পরে কিছুদিন পর ব্যাংকে লেনদেনের সময় বাড়ে, সময় বাড়ে পুঁজিবাজারেও।

বিধিনিষেধে ব্যাংকের লেনদেন কীভাবে চলবে-সে বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক এখনও সিদ্ধান্ত জানায়নি। ফলে বিএসইসির পক্ষেও এখনই লেনদেনের নতুন সময় নির্ধারণ করা সম্ভব হচ্ছে না। কমিশনার শেখ শামসুদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘করোনা মহামারির নতুন ভেরিয়েন্ট ওমিক্রম থেকে বিনিয়োগকারীদের রক্ষা করতে হলে প্রথমে তাদের (বিনিয়োগকারীদের) সচেতন হতে হবে। সংক্রামন বাড়লে ট্রেডিং হাউজ বা ব্রোকারেজ হাউজে না যাওয়ই ভালো হবে।’

লকডাউন ও শাটডাউনের সময় ব্রোকারেজ হাউজে না গিয়ে ঘরে বসে অনলাইনে বা ফোনেই শেয়ার কেনাবেচার অর্ডার দিয়েছেন বিনিয়োগকারীরা। তবে সংক্ষিপ্ত সময়ে বেশি অর্ডারের লোড নিতে গিয়ে প্রায়ই ট্রেডিং সিস্টেমে গোলযোগ দেখা দেয়, নানা সময় বন্ধ থাকে লেনদেন। বিএসইসি কমিশনার শেখ শামসুদ্দিন আহমেদ আশ্বাস দিয়েছেন, এবার আর সেই সমস্যা হবে না। তিনি বলেন, ‘আমাদের অনলাইন ট্রেডিং সিস্টেম আগের তুলনায় আপডেট করা হয়েছে। ডিএসই নতুন এমডি যোগদান করার পর এটি নিয়ে কাজ চলছে।’


   আরও সংবাদ