ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২২, ১২ জৈষ্ঠ্য ১৪২৮, ২১ জ্বমাদিউল সানি ১৪৪৩

৩১শ কোটি টাকা ব্যয়ে আরও তিন ইপিজেড



৩১শ কোটি টাকা ব্যয়ে আরও তিন ইপিজেড

তিন হাজার ১০০ কোটি টাকা ব্যয়ে আরও তিনটি ইপিজেড হবে। বাংলাদেশ রফতানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষের (বেপজা) অধীনে প্রস্তাবিত তিন ইপিজেড (রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল) হবে গাইবান্ধা, যশোর ও পটুয়াখালীতে। যার ব্যয়ও করা হবে বেপজার নিজস্ব তহবিল থেকে।

বেপজার আওতায় বর্তমানে ইপিজেড রয়েছে আটটি। ইপিজেডগুলো হলো- ঢাকা, আদমজী, চট্টগ্রাম, মোংলা, ঈশ্বরদী, কুমিল্লা, উত্তরা ও কর্ণফুলী। এর বাইরে চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে রয়েছে বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চল। সেটির উন্নয়নকাজ এখন এগিয়ে চলছে। বেপজার মহাব্যবস্থাপক নাজমা বিনতে আলমগীর বলেন, গাইবান্ধা ইক্ষু খামারে জমি অধিগ্রহণের কাজ চলছে। পটুয়াখালী এবং যশোরেও জমি দেখা হচ্ছে। কোভিডের কারণে অগ্রগতি কম হলেও বেপজা এখন পুরোদমে মনোযোগী। আগামী দুই থেকে তিন বছরের মধ্যে ইপিজেডগুলো সম্পন্ন হবে বলে আশা তার।

৩ হাজার ১০০ কোটি টাকা ব্যয়ে তিনটি ইপিজেড করার প্রস্তাব দেওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে বেপজার সর্বশেষ তিন অর্থবছরের উন্নয়ন চিত্র বিশ্লেষণ করে দেখেছে অর্থ বিভাগ। এতে দেখা যায়, সংস্থাটি ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ১৫০ কোটি, ২০১৯-২০ অর্থবছরে ১০২ কোটি ও ২০২০-২১ অর্থবছরে ১৪৫ কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে।

ঢাকা চেম্বারের সাবেক সভাপতি আবুল কাশেম খান বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তটি প্রশংসনীয় ও সময়োচিত। আর বেপজাও একটি সফল প্রতিষ্ঠান। কোভিডের কারণে হয়তো তিন ইপিজেড তৈরির কাজে অগ্রগতি কম হয়েছে। তবে এখন কাজটা করার ব্যাপারে বেপজার মনোযোগ বাড়ানো উচিত। আবুল কাশেম বলেন, সরকার তার প্রয়োজনে টাকা নিতেই পারে। আর ইপিজেড করার ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী যেহেতু সিদ্ধান্ত দিয়েছেন, সেহেতু বেপজা চাইলে যেকোনো সময় সরকার থেকে টাকা নিতেও পারবে।


   আরও সংবাদ