Home / আইন ও আদালত / লক্ষ্মীপুরে ভাইয়ের হত্যার বিচার চেয়ে আদালতে বোনের মামলা

লক্ষ্মীপুরে ভাইয়ের হত্যার বিচার চেয়ে আদালতে বোনের মামলা

আলমগীর গীর হোসেন লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি:লক্ষ্মীপুরে ভাইয়ের মৃত্যু রহস্যঘেরা উন্মোচনের দাবিতে আদালতে মামলা করেন নাজমা আক্তার নামের এক দিনমজুরের স্ত্রী। স্থানীয় প্রভাবশালী মহলের চাপে মামলার আসামিদের হুমকি ধমকীর ফলে চরম নিরাপত্তা হীনতায় ভুগছে নিহত রিপনের বোনের পরিবাররা। এদিকে এলাকাবাসি রিপনের মৃত্যু রহস্য উন্মোচনে লাশ উত্তোলন করে ময়না তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।
এলাকাবাসি ও আদালতের অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার ররমনী মোহন ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ড মৃত জালাল মোল্লা ছেলে রিপন, বাবা, মা দুই জনের মৃত্যুর পর থেকে এতিম দুই বোন স্বামীর বাড়িতে সংসার নিয়ে থাকেন। রিপন দাদার জমিতে দোকান ও পাকা ঘরে দাদাকে নিয়ে থাকতেন, রিপনের স্ত্রী সন্তান না থাকায় কাজের সুবিধার জন্য চাচা কামরুল তার স্ত্রী সাবিনাকে নিয়ে ঘরে উঠেন,গত ৬ জুন ২০২০ইং দুপুর ১২ ঘটিকার সময়ে হাটু ভাঙ্গা গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় এলাকাবাসী দেখতে পান, এঘটনার খবর শুনে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ পোস্টমোর্টেম করার উদ্দেশ্য সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়।
সন্দেহ জনক আসামি চাচা কামরুল মোল্লা, শাহআলম মোল্লা, ফুফা হারুন মাঝি, লাশের পোস্টমোর্টেম না করার জন্য প্রশাসন সহ বিভিন্ন লোকজনের সহযোগিতা চান, পরে কোন রকম আইনি সহযোগিতা বা-পোস্টমোর্টেম ছাড়াই তড়িৎ গতিতে দাপনের ব্যবস্থা করেন।
রিপনের এক মাত্র উত্তরাধিকার দুই বোনের দাবি তার ভাইয়ের পাকা ঘর, নগদ টাকা, চেক দোকানের মালামাল আত্মসাৎ করার লোভে সন্দেহ জনক বিবাদীরা রিপনকে হত্যা করেছে এবং লাশের গায়ে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ন্যায় বিচারের স্বার্থে ভাইয়ের লাশ কবর থেকে উত্তোলন করে ময়না তদন্ত করলেই এর আলামত পাওয়া যাবে। যে কোন সময় এলাকার প্রভাবশালী ও সন্দেহ জনক আসামীগণ  তাদের সন্ত্রাসী বাহীনি দিয়ে আমাদের পরিবারের লোকজনকে রিপনের মত খুন করতে পারে এমনে দাবি করেন তারা।

এ বিষয়ে সন্দেহ জনক প্রধান আসামী শাহআলমের  সাথে  যোগাযোগ করা হলে  তিনি সাংবাদিকদের
বলেন ,আমি এ হত্যার সাথে জড়িত নয়। তাকে আমি লালিত পালিত করে বড় করি,সামাজিকভাবে বিয়েশাদী করাই,কিছুদিনপর রিপনকে রেখে স্ত্রী চলে যায় । এর পর থেকে তার মানসিক রোগে ভুকতেছে। এ কারণে নিজ ঘরে আত্মহত্যা করে।

ইউপি সদস্য দুলাল মোল্লা জানায়, রিপনের মৃত্যু পর ,তার বাবা ,মা কেউ না থাকায় তার ওয়ারিশি সম্পত্তি তার দুই বৌনকে ভাগবাটরা করে দেওয়া হয়েছে কিন্তু কি কারনে দীর্ঘ আড়াই মাস পরে বোন নাজমা আক্তার বাদী হয়ে মামলা করেন তা আমার জানা নেই। 

এবিষয়ে চররমনী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবু ইউছুফ সৈয়াল জানান, হত্যা না আত্মহত্যা তার রহস্যময় তাই এলাকাবাসীর সাথে একমত পোষণ করে রিপনের মৃত্যু রহস্য উন্মোচনে লাশ উত্তোলন করে ময়না তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।
এদিকে হত্যা মামলা থেকে রক্ষা পেতে একটি মহল দৌড়ঝাপ শুরু করেছেন বলে জানা গেছে।মামলার বাদি নাজমা আক্তার, কোহিনূর, ভাইয়ের হত্যার বিচার ও তার পরিবারের সদস্যদের জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সহ আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সু-দৃষ্টি কামনা করছেন।
এ ব্যাপারে লক্ষ্মীপুর সদর থানার অফিসার ইনচার্জ আজিজুর রহমান মিয়া বলেন,হত্যার রহস্য উম্মেচন করে অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

About Alamgir Hossain

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

Powered by Dragonballsuper Youtube Download animeshow