Home / এক্সক্লুসিভ / লক্ষ্মীপুরে শীতকালীন সবজি এলেও দাম বেশ চড়া

লক্ষ্মীপুরে শীতকালীন সবজি এলেও দাম বেশ চড়া

আলমগীর হোসেন (লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি): প্রতি বছর শীত মৌসুমের শুরু থেকেই প্রতিদিন বাজারে সবজির দাম কমতে শুরু করে। কিন্তু এবার অজানা কারণে শীতের সবজির দাম কমছেই না। সব ধরনের সবজির দামই আকাশছোঁয়া। দুই একটির দাম সামান্য কমলেও তা স্বস্তিদায়ক নয়। গতকাল রবিবার লক্ষ্মীপুর শহর বিভিন্ন বাজারে মাছ বাজার,ক্যাফে কুইন কাঁচা বাজার হাট, দালাল বাজার, ভবানীগঞ্জ, টুমচর বাজার এলাকার কয়েকটি বাজারে খোঁজ নিয়ে এইসব তথ্য পাওয়া যায়।

সোমবার পৌর এলাকার রামগতি স্টেশন, সামাদের মোড়, চকবাজার, উত্তর তেমুহনী, কালিবাজার রোড এলাকার বাজার ঘুরে দেখা যায়, বাজারে শীতকালীন সবজি এলেও দাম বেশ চড়া। টমেটো প্রতি কেজি ১০০ টাকা কেজি, বাঁধাকপি ৬০ থেকে ৭০ টাকা, ফুল কপি ৬০ টাকা, গাজর ৯০ টাকা, শসা ৬০ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে। কাঁচা টমেটো প্রতি কেজি ৭০ থেকে ৮০ টাকা। পেঁয়াজের পাতা ১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। কুমোড়র কেজি ৬০ টাকা, ভরবটি ৬০ টাকা, কাঁচা পেপে ৪০ টাকা, করলা ৭০ টাকা, কাঁচা মরিচ ৮০ থেকে ১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

মাসখানেক ধরে সরু চালের দামও কেজিতে ৫ থেকে ৭ টাকা বাড়তি। সয়াবিন তেলের দাম বেড়েছে লিটারে ৩ থেকে ৪ টাকা। ডিমের ডজন এখন ১১০ টাকা। গত বছরের এ সময়ের তুলনায় প্রতিটি নিত্যপণ্যের দামই বেশ বাড়তি। ফলে বাজারে ক্রেতার জন্য কোনো স্বস্তি নেই।

সমসেরাবাদ গ্রাম থেকে বাজার করতে আসা বেসরকারি চাকুরিজীবী সোহেল রানা বলেন, প্রতিদিন বাজারে অতিরিক্ত টাকা দিতে হচ্ছে। যে পণ্যই কিনি দাম বেশি। যাদের আয় নির্দিষ্ট, তাদের জন্য এভাবে চলা কষ্টের। এই বাজারে শিম বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৬০ টাকা। লাউ প্রতিটি ৫০ থেকে ৬০ টাকা। মুলার দামও প্রতি কেজি ৪০ থেকে ৫০ টাকা। বড় গোল বেগুন ৬০ টাকা, নতুন আলুর কেজি ছিল ৫০ টাকা।

চাল বাজার বাজারের মো. মামুন বলেন, চালের দাম এই সপ্তাহে নতুন করে আর বাড়েনি। ভালো নাজিরশাইল ৬৫ টাকা, মিনিকেট ৬০ থেকে ৬২ টাকা আর একদম মোটা চাল ৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

গতকাল ফার্মের মুরগির ডিমের ডজন বিক্রি হয়েছে ১১০ টাকায়। এক বছর আগে এই সময়ে ডিমের ডজন ছিল ৯০ টাকা। বছরের ব্যবধানে মূল্য বেড়েছে ১৮ শতাংশ। গত সপ্তাহের তুলনায় কক জাতের মুরগির দাম কেজিতে ২০ টাকা বেড়ে এখন ২৬০ টাকা। তবে ব্রয়লার মুরগির দাম আগের মতোই ১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

অন্যদিকে, বাজারে এখন অন্যান্য সময়ের তুলনায় মাছের আমদানি বেশ ভালো। বিভিন্ন ধরনের মাছের মধ্যে ইলিশ আকারভেদে ৫০০ থেকে ১২০০ টাকা, রুই-কাতলা ২৮০ থেকে ৪০০ টাকা, পাবদা ৪০০ থেকে সাড়ে ৫০০ টাকা, তেলাপিয়া ১৪০ থেকে ১৬০ টাকা, চাষের কই ১৩০ থেকে ১৬০ টাকা, পাঙাশ ১৬০ থেকে ১৮০ টাকা, চাষের শিং, মাগুর ৪০০ থেকে ৬০০ টাকা, চিংড়ি ৫০০ থেকে ৯০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

এছাড়া সামুদ্রিক মাছের মধ্যে পোয়া মাছ ২০০ থেকে ২৮০ টাকা, কোরাল ৪০০ থেকে সাড়ে ৫০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

লক্ষ্মীপুর বিভিন্ন দোকানে ঘুরে দেখাগেছে বাজারে নতুন পেঁয়াজ বাজারে আসলেইও ক্রমেনি পেয়াজের দাম কেজি প্রতি ৯০ টাকা, রসুন ৯০ টাকা ধরে বিক্রয় করেন দোকানিরা।

About Alamgir Hossain

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

Powered by Dragonballsuper Youtube Download animeshow