Home / জেলার সংবাদ / কমলনগরে আ.লীগের ৫ কার্যালয় ভাঙচুরের অভিযোগ বিদ্রোহী প্রার্থীর বিরুদ্ধে

কমলনগরে আ.লীগের ৫ কার্যালয় ভাঙচুরের অভিযোগ বিদ্রোহী প্রার্থীর বিরুদ্ধে

আলমগীর হোসেন (লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি): লক্ষ্মীপুর কমলনগর তোরাবগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনীত নৌকার প্রার্থী মির্জা আশ্ররাফুল জামাল রাসেলের নৌকার ৫টি কার্যালয় ভাংচুর ও নেতা কর্মীদের উপর হামলার অভিযোগ ওঠেছে ‘বিদ্রোহী চেয়ারম্যান প্রার্থী রতন সমর্থকদের বিরুদ্ধে। এতে শিশু সহ দুই আওমীলীগ নেতা আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। শনিবার রাত ৯টার দিকে তোরাবগঞ্জ ইউনিয়নের নৌকার প্রার্থীর ৫টি কার্যালয়ে  হামলা ও ভাংচুরের ঘটনা ঘটে।

আহতরা হেলেন, শিশুর নাম অনিক(১২) আওয়ামী লীগ নেতা ও ব্যবসায়ী নাছির (৩৫), ৭নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ নেতা শাহ আলম (৩৫)। তারা নৌকার প্রার্থীর সমর্থক ছিলেন।

‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী ফয়সল আহম্মদ রতন সমর্থকেরা ওই সকল এলাকায় নৌকা প্রতীকের ২, ৪, ৬, ৭ এবং ৮নং ওয়ার্ডের নির্বাচনী কার্যালয় ভাঙচুর করেন। এরপর নৌকার সমর্থক নাছিরের দোকানও ভাঙচুর করেন। এ হামলার খবর পৌঁছার পর সেখানে উত্তেজনা দেখা দেয়।

আওয়ামী লীগ প্রার্থী আশ্ররাফুল আলম রাসেল গণমাধ্যম কর্মীদের জানায়, কমলনগর উপজেলার যুবলীগের আহ্বায়ক ও চেয়ারম্যান মেজবাহ উদ্দিন বাপ্পি, ওমর ফারুক সাগর, বর্তমান চেয়ারম্যান ও বিদ্রোহী প্রার্থী ফয়সাল আহম্মদ রতনের গুন্ডা বাহিনী দিয়ে দেশীয় অস্ত্র-সস্ত্রে সজ্জিত হয়ে হুন্ডা মহড়া দিয়ে নৌকার সমর্থকদের হুমকী-ধমকী,মারধর করাসহ বিভন্ন ওয়ার্ডে নৌকার কার্যালয় চেয়ার টেবিল ভাংচুর, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি, বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমানের ছবি, ব্যানার,পোষ্টারের ছবি ছিড়ে পেলে। এসময় দলীয় নেতাকর্মীরা রতনের গুন্ডাবাহিনীদের বাঁধা দিলে তাঁদেরকেও রক্তাক্ত করে বিদ্রোহী প্রার্থী রতনের বাহিনী। মোটরসাইকেলের চাবি নিয়ে যায় তারা। এতে ৪-৫ জন নেতা কর্মী আহত হয়েছে। মোটরসাইকেল দিয়ে অস্ত্রের  মহড়া দিচ্ছে। আমাকে জননেত্রী শেখ হাসিনা নৌকার মনোনয়ন দিয়েছে। তারা নৌকার বিরুদ্ধে অবস্থান নিচ্ছে।

তিনি বলেন, বিদ্রোহী প্রার্থী হয়ে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের গুম-খুনের হুমকী দিচ্ছে। নৌকার প্রার্থী হয়েও আমি আমার পরিবার পরিজন নিয়ে জীবনের নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। আমার কর্মীরা হতাশ, এসব কি হচ্ছে! ঘটনার পর পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। নির্বাচন রিটানিং অফিসারের কাছে নৌকার পোষ্টার লেফলেট, নেতাকর্মীতের মারধরের, দেশীয় অস্ত্র ,চাপাতি , কুঠার,রামদা,দিয়ে হুমকী –ধমকি দিয়ে আসছে বিদ্রোহী প্রার্থী রতনের সমর্থকরা। নির্বাচনের আচরণ বিধি লংঘনের অভিযোগ এনে একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন তিনি।

বিদ্রোহী প্রার্থী ফয়সল আহম্মেদের ভাষ্য, নৌকা প্রতীকের প্রার্থী নির্বাচনে নিশ্চিত পরাজয় জেনে তাঁর তিনটি কার্যালয় ভাংচুর করে এবং তার চাচাতো ভাইকে পিটিয়ে আহত করে নৌকার সমর্থকরা।

এ বিষয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কৃষি ও সমবায় সম্পাদক ফরিদুন্নাহার লাইলী মুঠোফোনে জানায়, যারা দলের নিদের্শ আদেশ অম্যান্য করে নৌকার বিপক্ষে বিদ্রোহী প্রার্থীর ভোট করে নৌকার প্রার্থীর কায্যলয়ে ভাংচুর, দলীয় নেতা কর্মীদের উপর হামলা করা তা ন্যক্কারজনক ঘটনা। দলীয় শৃঙ্খলা বিনষ্টকারীদের ছাড় দেওয়া হবে না।  

About Alamgir Hossain

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

Powered by Dragonballsuper Youtube Download animeshow