Home / জেলার সংবাদ / মাস্ক পরার নির্দেশ, কোভিডমুক্ত বাংলাদেশ: লক্ষ্মীপুর পুলিশ সুপার

মাস্ক পরার নির্দেশ, কোভিডমুক্ত বাংলাদেশ: লক্ষ্মীপুর পুলিশ সুপার

আলমগীর হোসেন (লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি): মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নির্দেশে ও মাননীয় আইজিপির স্যারের দিক নির্দেশনায় সারাদেশে ন্যায় লক্ষ্মীপুরে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঊর্ধ্বমুখী হওয়ায় তা রোধে পুলিশ মাঠে থাকছে বলে জানিয়েছে পুলিশ সুপার ড. এ এইচ এম কামরুজ্জামান । 

তিনি বলেন, গত ২১ মার্চ থেকে পুলিশের উদ্যোগে মাস্ক পরা উদ্বুদ্ধকরণ কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। কার্যক্রমের স্লোগান- ‘মাস্ক পরা অভ্যেস, কোভিডমুক্ত বাংলাদেশ।’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সাধারণ জনগণের মাঝে ২০ হাজার মাস্ক বিতরণ করা হয়।বাধ্যতামূলক মাস্ক পরার জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে পুলিশ।

পুলিশ সুপার বলেন, বিচক্ষণতা ও সাহসিকতায় মানুষকে আশার আলো দেখাচ্ছে লক্ষ্মীপুরের পুলিশ। করোনার হটস্পট হিসেবে চিহ্নিত লক্ষ্মীপুর মানবিক কর্মকান্ডে ফ্রন্ট লাইনার্স হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে ইতিমধ্যেই লক্ষ্মীপুরে পুলিশের ৩ জন সদস্য করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে। করোনাভাইরাস প্রতিরোধে কার্যক্রমের জন্য ৫ সদস্যের মেডিকেল টিম, একটি অ্যাম্বুলেন্স এবং ২টি গাড়ি দিয়ে সার্বক্ষণিক স্ট্যান্ডবাই রাখা হয়। জেলা পুলিশের প্রতিটি ইউনিটে জীবানুনাশক স্প্রে মেশিন. তাপমাত্রা মাপা যন্ত্র, হাত ধোয়ার জন্য বেসিন স্থাপন করা হয়েছে। 

মার্চ মাসে বাংলাদেশে করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব শুর হলে জেলার ৭৪টি বিট, ৬টি থানা, ৪টি ফাঁড়ি, ৩টি তদন্ত কেন্দ্রে, হাটবাজার গ্রাম-গঞ্জে ও মহল্লা-মহল্লা পুলিশ সদস্যদের মাধ্যমে লিফলেট, পোষ্টার ও ব্যানার লাগানোর পাশাপাশি নিরবিচ্ছিন মাইকিং প্রচারণার মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে সচেতন করার জন্য কাজ চলছে। করোনার ২য় ঢেউয়ের করোনা সংকটে বেকার হয়ে পড়া নিম্ম আয়ের মানুষ, দরিদ্র শ্রমজীবী বেদে সম্প্রদায়, তাঁতী, কামার, জেলে, মুচি এমনকি তৃতীয় লিঙ্গের অসহায় মানুষের জন্য লক্ষ্মীপুর জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে খাদ্য সামগ্রী ব্যবস্থা রয়েছে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে পুলিশ সুপার জানায় গত বছরে খাদ্য সরবরাহ ছিল এবার পুলিশের পক্ষ থেকে খাদ্য সামগ্রী ব্যবস্থা করা হয়নি।

ড.এইচএম কামরুজ্জামান বলেন, করোনাভাইরাসের প্রকোপ গত মাস পর্যন্ত কম থাকলেও মার্চ থেকে এটি বৃদ্ধি পেয়েছে। করোনা রোধে মাস্কের কোনো বিকল্প নেই। আমাদের সবার উচিত কঠোরভাবে স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করা। যাতে আমরা ও আমাদের পরিবার করোনা থেকে মুক্ত থাকতে পারি।’

এছাড়াও ইমিগ্রেশন পুলিশের মাধ্যমে বিদেশ থেকে আগত ব্যক্তিদের শনাক্তকরণ ওকোয়ারেন্টাইনে প্রেরণ। সতর্কতামূলক ব্যবস্থা এরইমধ্যে পুলিশ সদস্যদের জন্য বেশ কিছু সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। যারা আক্রান্ত তাদেরসহ পুরো ফোর্সের মনোবল চাঙ্গা রাখারব্যবস্থা করা হয়েছে।

পুলিশ সুপার আরো বলেন, পুলিশ সদস্যদের জন্য মাস্ক, হ্যান্ড গ্লোভস দেয়া হয়েছে। প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে পিপিই দেয়া হয়েছে। আর তাদের ব্যারাকে স্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং সামাজিক দূরত্বের ব্যবস্থা করা হয়েছে। তাদের ওয়াশরুম উন্নত করা হয়েছে। এ উদ্যোগে ইতোমধ্যেই সব মহলের প্রশা কুড়িয়েছে।

About Alamgir Hossain

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

Powered by Dragonballsuper Youtube Download animeshow