ঢাকা, শনিবার, ২৬ নভেম্বর ২০২২, ১২ চৈত্র ১৪২৯, ২ জ্বমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

লোগো পেলো রায়পুর



লোগো পেলো রায়পুর

লক্ষ্মীপুর জেলার রায়পুর উপজেলার লোগো উম্মোচন করা হয়েছে। বুধবার (২৮ সেপ্টেম্বর) রায়পুর উপজেলা অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠানিকভাবে এ লোগো  উম্মোচন করেন লক্ষ্মীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য এ্যাডভোকেট নুরউদ্দিন চৌধুরী নয়ন। রায়পুরের ঐতিহ্যবাহী অর্থকরী ফসল সুপারি গাছ, অর্থকরী ফসল সয়াবিন ও নৌকার ছবি যুক্ত করা হয়েছে লোগোতে। লোগোটির নক্সা এঁকেছেন রায়পুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অনজন দাস।

এ ব্যাপারে অনজন দাস বলেন, ছোটবেলায় ভাই-বোন বা বন্ধুদের সাথে পেন্সিল-রাবার বদলে যাওয়ার ভয়ে আমরা সবাই-ই কিন্তু নিজের জিনিসগুলোতে কোনো না কোনো চিহ্ন দিয়ে রাখতাম। কখনো কখনো নিজের নাম লিখে রাখতাম। প্রাচীন যুগে যখন মানুষ পড়ালেখা জানতো না তখনও তারা তাদের প্রিয় বস্তুটি যেন হারিয়ে না যায় বা অন্যদের সাথে পরিবর্তন না হয়ে যায় সেজন্য বস্তুটির গায়ে বিভিন্ন চিহ্ন বা সিল এঁকে দিতো। এর সবই কিন্তু অন্য সবার মধ্যে থেকে নিজেকে বা নিজের বস্তুটিকে আলাদা করে রাখার জন্য যাতে অন্য কেউ দেখলেও বুঝতে পারে এই জিনিসটি কার। এই চিহ্নগুলোকেই প্রাতিষ্ঠানিক ভাষায় লোগো (logo) বলে।

রায়পুর উপজেলায় ইউএনও হিসেবে যোগদান করে প্রথমেই ভেবেছি আমার কাজের জায়গাকে কাজের মাধ্যমেই সমৃদ্ধ করবো। কিন্তু এই রায়পুরকে তো মানুষের কাছে, দেশের কাছে পরিচিত করে তুলতে হবে আগে। যার জন্য একটা সাংকেতিক চিহ্ন খুব জরুরি। তখনই ভাবলাম রায়পুর এর একটা লোগো করা দরকার, যার মাধ্যমে সবাই রায়পুরকে চিনবে। পাশাপাশি রায়পুরের ইতিহাস-ঐতিহ্য পরিচিতি লাভ করবে। তাই রায়পুরের বিখ্যাত জিনিসপত্রের খোঁজ শুরু করলাম। সেখানে অনেকগুলো বিষয়ই উঠে এসেছে যার মধ্যে সুপারি, নদী, পালতোলা নৌকা ও সয়াবিন অন্যতম। এই বিখ্যাত জিনিসগুলো প্রতীক হিসেবে “সুপারি”র ফর্মের মধ্যে রায়পুর এর লোগোতে নিয়ে আসলাম।

রায়পুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অঞ্জন দাসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, রায়পুর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ মামুনুর রশীদ, রায়পুর সহকারী কমিশনার (ভূমি) রাসেল ইকবাল, উপজেলা পরিষদের ভাইস-চেয়ারম্যান এডভোকেট মারুফ বিন জাকারিয়া, মহিলা ভাইস-চেয়ারম্যান হাজী মাজেদা বেগম, রায়পুর থানার অফিসার ইনচার্জ শিপন বড়ুয়া সহ আরো অনেকে। 
 


   আরও সংবাদ