ঢাকা, সোমবার, ০৮ অগাস্ট ২০২২, ২৪ অগ্রহায়ন ১৪২৯, ১০ মহররম ১৪৪৪

প্রবাসীদের সর্বোচ্চ মূল্য দিচ্ছে ব্যাংক



প্রবাসীদের সর্বোচ্চ মূল্য দিচ্ছে ব্যাংক

দেশে ডলার সংকট বেড়েই চলেছে। চাহিদার সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে এ সংকট। সংকট মোকাবেলায় নানা বিধিনিষেধ আরোপ করেছে সরকার। কমানো হয়েছে আমদানী ব্যয়। তবে রেমিট্যান্স কমে যাওয়ায় কাটছে না সংকট। একদিকে চাহিদার সাথে পাল্লা দিয়ে কমছে ডলার, অন্যদিকে কমছে রেমিট্যান্স। এতে চাপ পড়ছে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে। যে কারণে চাহিদা অনুযায়ী ব্যাংকগুলোকে ডলার সরবরাহ করতে পারছে না বাংলাদেশ ব্যাংক। যে কারণে চাহিদা মেটাতে প্রবাসীদের কাছ থেকে বেশি দামে ডলার কিনছে ব্যাংকগুলো।

প্রবাসীদের আয় আনতে প্রতি ডলারের জন্য সর্বোচ্চ ১১২-১১৩ দাম দিচ্ছে বেশ কিছু ব্যাংক। গতকাল বৃহস্পতিবার মধ্যপ্রাচ্যের দেশ ও মালয়েশিয়া থেকে বাড়তি দামে ডলার কেনে ব্যাংকগুলো। ফলে বেশি দামে কেনা ডলার এখন ব্যাংকগুলোকে বেশি দরে বিক্রি করতে হবে। যদিও আন্তঃব্যাংক লেনদেনের ক্ষেত্রে এক ডলার ৯৪ টাকা ৭০ পয়সা নির্ধারণ করে দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

সদ্য বিদায়ী ২০২১-২২ অর্থবছরে বাংলাদেশ ব্যাংক রিজার্ভ থেকে ৭ দশমিক ৬২ বিলিয়ন বা ৭৬২ কোটি ডলার সাপোর্ট দিয়েছে ব্যাংকগুলোকে। আর চলতি বছরের জুলাই মাসে ১ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলার। বাজার পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশ ব্যাংক এ সাপোর্ট দিয়ে যাবে বলে জানান কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র সিরাজুল ইসলাম দৈনিক আনন্দবাজারকে বলেন, ব্যাংকগুলোকে ৯৪ দশমিক ৭০ পয়সা রেটে ডলার সরবরাহ করা হচ্ছে। ডলারগুলো দেয়া হচ্ছে মূলত আমদানী এলসি খোলার জন্য। তবে আমরা খবর পাচ্ছি নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে তারা ডলার বিক্রি করছে। এ বিষয়ে আমাদের মনিটরিং টিম মাঠে কাজ করছে। এর বাইরে কিছু ব্যাংক প্রবাসীদের কাছ থেকে বাড়তি দামে ডলার কিনছে। তাদের এ কেনা ডলার বাজারে বিক্রি করতে হবে বেশি দামে। এতে বাজারে অস্থিরতা দেখা দিতে পারে। আমাদের মনিটরিং টিম কাজ করছে। এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আবদুর রউফ তালুকদার এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, আগামী দু-তিন মাসের মধ্যে ডলারের বাজার স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসবে।


   আরও সংবাদ