ফুটবল বিশ্বের সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত শ্রেষ্ঠত্বের স্বীকৃতি ব্যালন ডি’অর জিতে নিলেন ইংল্যান্ড জাতীয় দল ও বায়ার্ন মিউনিখের তারকা স্ট্রাইকার হ্যারি কেইন। লামিন ইয়ামাল ও কিলিয়ান এমবাপ্পের মতো তারকাদের পেছনে ফেলে প্রথমবারের মতো মর্যাদাপূর্ণ এই সম্মাননা নিজের করে নিলেন ৩৩ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড। অন্যদিকে, নারী বিভাগে তৃতীয়বারের মতো ব্যালন ডি’অরের মুকুট মাথায় তুলেছেন স্পেনের অ্যালেক্সিয়া পুতেয়াস।
সোমবার রাতে লন্ডনের বিখ্যাত প্যালাডিয়াম থিয়েটারে জমকালো আয়োজনে জয়ীদের হাতে ট্রফি তুলে দেয় ফরাসি সাময়িকী ‘ফ্রান্স ফুটবল’। অনুষ্ঠানে কেইনের হাতে ব্যালন ডি’অর তুলে দেন দুইবারের ট্রফিজয়ী ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তি রোনালদো নাজারিও।
আন্তর্জাতিক ফুটবল ও ক্লাব ফুটবলে বায়ার্ন মিউনিখের হয়ে টানা দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের সুবাদেই এবার ব্যালন ডি’অরের জন্য বিবেচিত হন হ্যারি কেইন। এর মধ্য দিয়ে দীর্ঘ ২৫ বছর পর কোনো ইংলিশ খেলোয়াড় বর্ষসেরা ফুটবলারের স্বীকৃতি পেলেন। এর আগে সর্বশেষ ২০০১ সালে ইংল্যান্ডের হয়ে এই পুরস্কার জিতেছিলেন সাবেক ফরোয়ার্ড মাইকেল ওয়েন।
ব্যালন ডি’অরের ইতিহাসে কেইন পঞ্চম ইংলিশ ফুটবলার হিসেবে এই অর্জনের খাতায় নাম লেখালেন। ১৯৫৬ সালে পুরস্কারটির সূচনা আসরে প্রথম বিজয়ী হয়েছিলেন স্যার স্ট্যানলি ম্যাথিউস। এরপর ১৯৬৬ সালে স্যার ববি চার্লটন এবং ১৯৭৮ ও ১৯৭৯ সালে কেভিন কিগান এই সম্মান অর্জন করেন। দীর্ঘ বিরতির পর সেই অভিজাত তালিকায় যুক্ত হলেন বায়ার্ন তারকা।
এদিকে, নারীদের বর্ষসেরা ক্যাটাগরিতে ২০২৬ সালের ব্যালন ডি’অর জিতেছেন স্প্যানিশ তারকা অ্যালেক্সিয়া পুতেয়াস। ২০০১ সালের ব্যালন ডি’অরজয়ী মাইকেল ওয়েন মঞ্চে তার নাম ঘোষণা করেন। এর আগে ২০২১ ও ২০২২ সালে টানা দু'বার বিশ্বসেরা হয়েছিলেন বার্সেলোনার এই সাবেক মিডফিল্ডার। তৃতীয়বারের মতো এই ট্রফি জিতে নারী ফুটবলে নিজের শ্রেষ্ঠত্ব পুনরায় প্রমাণ করলেন তিনি।