ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১১ ফাল্গুন ১৪৩৩, ১৫ জ্বমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

সেন্টমার্টিনে ১ নভেম্বর থেকেই রাতযাপনের সুযোগ



সেন্টমার্টিনে ১ নভেম্বর থেকেই রাতযাপনের সুযোগ

সেন্টমার্টিন দ্বীপে ভ্রমণ ও রাতযাপন নিয়ে পর্যটক এবং স্থানীয় ব্যবসায়ীদের মধ্যকার দীর্ঘদিনের সংশয় ও অনিশ্চয়তা অবশেষে কেটেছে। দ্বীপটিতে ভ্রমণে আসার পর পর্যটকেরা রাতেও অবস্থান করতে পারবেন বলে স্পষ্ট করেছে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়। এ সিদ্ধান্তে স্বস্তি ও আনন্দের জোয়ার ফিরেছে পর্যটননির্ভর এই দ্বীপের অধিবাসী ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে।

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের পরিবেশ-২ শাখা থেকে জারি করা এক নির্দেশনায় জানানো হয়, আগামী ১ নভেম্বর ২০২৬ থেকে ২০২৭ সালের ১৫ মার্চ পর্যন্ত মোট সাড়ে চার মাস সেন্টমার্টিনে পর্যটকেরা যাতায়াত করতে পারবেন। এ সময় প্রতিদিন সর্বোচ্চ ৩ হাজার ৫০০ জন পর্যটক দ্বীপে প্রবেশের সুযোগ পাবেন।

রাতযাপনের বিষযে অনিশ্চয়তা দূর করে মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব সাবরীনা রহমান জানান, পুরো সাড়ে চার মাস দ্বীপটি পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। পর্যটকদের জন্য রাতযাপনে আলাদা করে কোনো বিধিনিষেধ দেওয়া হয়নি; তারা চাইলে দ্বীপে রাতযাপন করতে পারবেন এবং এটি সম্পূর্ণ তাদের নিজস্ব সিদ্ধান্ত।

দীর্ঘদিন বিধিনিষেধ ও পর্যটক যাতায়াত সীমিত থাকায় সেন্টমার্টিনের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড স্থবির হয়ে পড়েছিল। সরকারি সিদ্ধান্তের পর কক্সবাজার থেকে দীর্ঘ আট-নয় ঘণ্টার নদীপথ বা সমুদ্রপথ পাড়ি দিয়ে আসা ভ্রমণপিপাসুদের আর দিনে দিনেই ফিরে যাওয়ার ভোগান্তি পোহাতে হবে না।

বর্তমানে পর্যটক আগমনকে ঘিরে দ্বীপে ব্যাপক প্রস্তুতি ও সংস্কারকাজ শুরু হয়েছে। হোটেল, রিসোর্ট, রেস্তোরাঁ ও নৌপরিবহন খাতের ব্যবসায়ীরা নতুন করে ঘুরে দাঁড়ানোর আশা করছেন। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও বাসিন্দাদের মতে, ভ্রমণ ও রাতযাপনের এই সুযোগ দ্বীপে কর্মসংস্থান বাড়াবে এবং স্থানীয় অর্থনীতিতে প্রাণচাঞ্চল্য ফিরিয়ে আনবে।


   আরও সংবাদ