ঢাকা, সোমবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৬ চৈত্র ১৪৩২, ১০ জ্বমাদিউল সানি ১৪৪৭

‘অনিবন্ধিত হাসপাতালে কাজ করলেই ব্যবস্থা’



‘অনিবন্ধিত হাসপাতালে কাজ করলেই ব্যবস্থা’

অনিবন্ধিত হাসপাতাল ও ক্লিনিক বন্ধে মাঠে নামছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। অনিবন্ধিত প্রতিষ্ঠানে নিবন্ধিত কোনো চিকিৎসক কাজ করলে তাদের বিরুদ্ধেও আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সোমবার থেকে এক সপ্তাহ চলবে এই অভিযান।

রবিবার (২৮ আগস্ট) দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. আহমেদুল কবির এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, আমরা তিন মাস সময় দিয়েছি। এই সুযোগ যারা নেয়নি এবং এর মধ্যে যারা নিবন্ধনের জন্য আবেদন করেনি বা যারা আবেদন করেও নিবন্ধন পায়নি, তারা হাসপাতাল, ক্লিনিক খোলা রাখতে পারবে না। যারা নিবন্ধন পায়নি তাদের কার্যক্রম এখনো ত্রুটিপূর্ণ।

আহমেদুল কবির জানান, প্রাথমিকভাবে নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠানকে আলাদা করতে পারবো। এরপরের অভিযান হবে যারা নিবন্ধিত হয়েছে তাদের কার্যক্রমের মান কেমন তা নিয়ে। এরপর নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠানকে এ, বি, সি ক্যাটাগরিতে ভাগ করা হবে। তা আমাদের ওয়েবসাইটে দেওয়া হবে। যাতে মানুষ জানতে পারে কোন হাসপাতাল কোন মানের।

অতিরিক্ত মহাপরিচালক বলেন, লাইসেন্সের বর্তমান অবস্থা পর্যালোচনায় দেখা যাচ্ছে, সময় দেওয়ার পরও কিছু প্রতিষ্ঠান লাইসেন্স করছে না। কিছু প্রতিষ্ঠান লাইসেন্সের আবেদনও করছে না। বারবার সতর্ক করার পরও কিছু প্রতিষ্ঠান এখনো প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংশোধন না করার ফলে আবেদন পেন্ডিং অবস্থায় আছে। এজন্য বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকের লাইসেন্সের অবস্থা আরও তরান্বিত করতে স্থানীয় প্রশাসন ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে অভিযান কার্যক্রম চালানো জরুরি।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, ১৬৪১টি হাসপাতাল বন্ধ হয়েছে। এই অভিযানে রাজস্ব আদায় হয়েছে ২৫ কোটি ১৮ লাখ ৫২ হাজার ৮৬৭ টাকা। এছাড়া এই তিন মাসে নতুন নিবন্ধিত হয়েছে ১ হাজার ৪৮৯টি, নবায়ন হয়েছে ২ হাজার ৯৩০টি। নিবন্ধনের জন্য অপেক্ষমাণ আছে ১ হাজার ৯৪৬টি। লাইসেন্স নবায়নের অপেক্ষায় আছে ২ হাজার ৮৮৭টি হাসপাতাল-ক্লিনিক। নতুন করে নিবন্ধনের জন্য আবেদন করেছে ২ হাজার হাসপাতাল ও ক্লিনিক।


   আরও সংবাদ