চলতি বছরের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল শনিবার (৩১ অক্টোবর) প্রকাশিত হতে যাচ্ছে। এর মধ্য দিয়ে দেশের ১২ লাখ ৭০ হাজারেরও বেশি পরীক্ষার্থীর দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটছে।
সকাল ১১টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সভাকক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে এই ফলাফল ঘোষণা করা হবে। ফল প্রকাশ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দুই বিভাগের সচিব, সকল বোর্ডের চেয়ারম্যানসহ শিক্ষা বোর্ড ও মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন।
উদ্বোধনের পরই পরীক্ষার্থীরা নিজ নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, নির্ধারিত ওয়েবসাইট এবং এসএমএসের মাধ্যমে ফলাফল জানতে পারবেন। অনলাইনে https://eduboardresults.gov.bd ও https://educationboardresults.gov.bd ওয়েবসাইট থেকে রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে ফল সংগ্রহ করা যাবে।
এ ছাড়া যেকোনো মোবাইল অপারেটর থেকে এসএমএস পাঠিয়েও দ্রুত ফল জানা যাবে। এর জন্য মেসেজ অপশনে গিয়ে HSC <স্পেস> বোর্ডের নামের প্রথম ৩ অক্ষর <স্পেস> রোল নম্বর <স্পেস> 2026 লিখে ১৬১৪০ নম্বরে পাঠাতে হবে।
চলতি বছরের ২ জুলাই ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড এবং বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে একযোগে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়। ৮ আগস্ট লিখিত পরীক্ষা শেষ হওয়ার কথা থাকলেও বন্যা ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে চট্টগ্রামসহ কয়েকটি বোর্ডের স্থগিত পরীক্ষা পরবর্তীতে অনুষ্ঠিত হয়। ১৫ আগস্টের মধ্যে ব্যবহারিক পরীক্ষা সম্পন্ন হয়।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, ১১টি শিক্ষা বোর্ডে মোট ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেন। এর মধ্যে ছাত্র ৬ লাখ ২১ হাজার ৯৬৯ জন এবং ছাত্রী ৬ লাখ ৪৮ হাজার ৬১৪ জন। এবার ছাত্রদের চেয়ে ২৬ হাজার ৬৪৫ জন বেশি ছাত্রী পরীক্ষায় অংশ নেন। দেশের ২ হাজার ৬৯৭টি কেন্দ্রে ৯ হাজার ৪৩৯টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা অংশ নেন। ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে ১০ লাখ ৬৯ হাজার ৭১৪ জন পরীক্ষার্থী অভিন্ন প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা দেন।
পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন ১ নভেম্বর থেকে
আন্তঃশিক্ষা বোর্ডের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, প্রকাশিত ফলাফলে অসন্তুষ্ট শিক্ষার্থীরা উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণ বা পুনর্মূল্যায়নের জন্য ১ নভেম্বর থেকে আবেদন করতে পারবেন। অনলাইন পদ্ধতিতে এই আবেদন প্রক্রিয়া চলবে ৭ নভেম্বর পর্যন্ত। এ সংক্রান্ত বিস্তারিত দিকনির্দেশনা সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে।