A PHP Error was encountered

Severity: Warning

Message: fopen(/var/cpanel/php/sessions/ea-php74/ci_session149ff4fa08ea684c1ae135a3c4f4e40b55c4b8ab): failed to open stream: No space left on device

Filename: drivers/Session_files_driver.php

Line Number: 172

Backtrace:

File: /home/deshkhob/public_html/application/controllers/Front_side_news.php
Line: 6
Function: __construct

File: /home/deshkhob/public_html/index.php
Line: 315
Function: require_once

A PHP Error was encountered

Severity: Warning

Message: session_start(): Failed to read session data: user (path: /var/cpanel/php/sessions/ea-php74)

Filename: Session/Session.php

Line Number: 143

Backtrace:

File: /home/deshkhob/public_html/application/controllers/Front_side_news.php
Line: 6
Function: __construct

File: /home/deshkhob/public_html/index.php
Line: 315
Function: require_once

মাদ্রাসার ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ, মাদ্রাসায় জনতার আগুন
ঢাকা, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৮ ফাল্গুন ১৪৩৩, ১১ জ্বমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

মাদ্রাসার ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ, মাদ্রাসায় জনতার আগুন



মাদ্রাসার ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ, মাদ্রাসায় জনতার আগুন

পাবনা সদর উপজেলায় একটি মহিলা মাদ্রাসার আবাসিক ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে আবু ইউসুফ প্রামাণিক নামে এক শিক্ষককে আটক করেছে পুলিশ। এ ঘটনার জেরে উত্তেজিত এলাকাবাসী ও অভিভাবকরা ওই মাদ্রাসায় ভাঙচুর চালিয়েছে এবং কয়েকটি কক্ষে আগুন ধরিয়ে দিয়েছে।

শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) ভোর রাতে উপজেলার ভাঁড়ারা ইউনিয়নের দড়িভাউডাঙ্গা এলাকার ‘নূরে মদিনা মহিলা মাদ্রাসা’য় এ ঘটনা ঘটে।

আটককৃত শিক্ষক আবু ইউসুফ প্রামাণিক পার্শ্ববর্তী সাদুল্লাহপুর ইউনিয়নের খালিশপুর গ্রামের বাসিন্দা। তিনি গত ৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে ভাড়া বহুতল ভবনে মাদ্রাসাটি পরিচালনা করে আসছিলেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, মাদ্রাসার ভেতরেই স্ত্রীসহ বসবাস করতেন পরিচালক ইউসুফ প্রামাণিক। বৃহস্পতিবার তার স্ত্রী পারিবারিক প্রয়োজনে বাড়ি যান। রাত আড়াইটার দিকে নাজেরা বিভাগের এক আবাসিক ছাত্রী টয়লেটে যাওয়ার জন্য কক্ষ থেকে বের হলে, ইউসুফ তাকে জোরপূর্বক টেনে নিজের কক্ষে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা চালান। একপর্যায়ে ছাত্রীটি কৌশলে পালিয়ে বাইরে গিয়ে স্থানীয়দের বিষয়টি জানায়।

ঘটনাটি ছড়িয়ে পড়লে গভীর রাতেই বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী ও অভিভাবকরা মাদ্রাসায় জড়ো হয়ে অভিযুক্ত শিক্ষককে আটকে রেখে পুলিশে খবর দেন। স্থানীয়দের দাবি, ইতিপূর্বেও উক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে নারীঘটিত একাধিক অভিযোগ উঠেছিল।

এদিকে শিক্ষক আটকের পর পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। উত্তেজিত জনতা মাদ্রাসার আসবাবপত্র ভাঙচুর করে এবং কয়েকটি কক্ষে আগুন ধরিয়ে দেয়। তবে অন্য শিক্ষার্থীদের দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। পরে পুলিশ এসে পরিবেশ নিয়ন্ত্রণে আনে এবং শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের জিম্মায় বাড়ি পাঠায়।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে পাবনার পুলিশ সুপার আবু আশ্রাফ জানান, খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। ভুক্তভোগী ছাত্রীকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

তিনি আরও জানান, লিখিত অভিযোগ সাপেক্ষে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। আইনশৃঙ্খলার স্বার্থে এলাকাটি এখন পুলিশের নজরদারিতে রয়েছে। বর্তমানে সেখানে পড়াশোনার পরিবেশ না থাকায় অন্য শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ বাড়িতে ফিরে গেছে।


   আরও সংবাদ