Severity: Warning
Message: fopen(/var/cpanel/php/sessions/ea-php74/ci_session73f056913785cbfd59c603eed4c346ef0bb6d657): failed to open stream: No space left on device
Filename: drivers/Session_files_driver.php
Line Number: 172
Backtrace:
File: /home/deshkhob/public_html/application/controllers/Front_side_news.php
Line: 6
Function: __construct
File: /home/deshkhob/public_html/index.php
Line: 315
Function: require_once
Severity: Warning
Message: session_start(): Failed to read session data: user (path: /var/cpanel/php/sessions/ea-php74)
Filename: Session/Session.php
Line Number: 143
Backtrace:
File: /home/deshkhob/public_html/application/controllers/Front_side_news.php
Line: 6
Function: __construct
File: /home/deshkhob/public_html/index.php
Line: 315
Function: require_once
পূর্ব এশিয়াজুড়ে ভয়াবহ ধ্বংসযজ্ঞের বার্তা নিয়ে আঘাত হানতে যাচ্ছে চলতি বছরের সবচেয়ে শক্তিশালী সামুদ্রিক ঘূর্ণিঝড় ‘চাম্পি’।
গত মঙ্গলবার সাগরে থাকা অবস্থায় এর গতিবেগ রেকর্ড করা হয়েছে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ১৮৫ মাইল (প্রায় ২৯৮ কিলোমিটার), যা ক্যাটাগরি-৫ হারিকেনের প্রায় কাছাকাছি।
ভয়াবহ এই ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে ইতিমধ্যে পূর্ব এশিয়ার দেশ চীন, জাপান এবং তাইওয়ানে হাজারো ফ্লাইট বাতিল ও স্থগিত করা হয়েছে। সবচেয়ে ঝুঁকিতে থাকা দ্বীপরাষ্ট্র তাইওয়ানে ইতিমধ্যে ঝড়ের প্রভাবে একজনের মৃত্যু হয়েছে এবং আহত হয়েছেন আরও অন্তত কয়েক ডজন মানুষ। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে দেশজুড়ে সর্বোচ্চ জরুরি নিরাপত্তা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। এক জরুরি ব্রিফিংয়ে দেশটির প্রধানমন্ত্রী চো জং-তাই জনগণকে ঝুঁকিপূর্ণ ও উপকূলীয় এলাকাগুলো এড়িয়ে চলাচলের তীব্র আহ্বান জানিয়েছেন।
তাইওয়ানের কেন্দ্রীয় আবহাওয়া প্রশাসনের (সিডব্লিউএ) প্রধান লু কুও-চেন জানিয়েছেন, শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় ‘চাম্পি’ দ্রুত পুরো তাইওয়ানের স্থলভাগে আঘাত হানবে এবং পুরো অঞ্চলকে ঘিরে ফেলবে। আজ শুক্রবার থেকে শনিবার পর্যন্ত এর বাতাসের তীব্রতা ও তাণ্ডব সবচেয়ে বেশি থাকবে। পরবর্তীতে শনি ও রোববারের দিকে এটি ধীরগতিতে তাইওয়ান উপকূল ত্যাগ করতে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, প্রতিবছরই জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সৃষ্ট বৈশ্বিক উষ্ণায়নের প্রভাবে প্রশান্ত মহাসাগরে ঘনঘন শক্তিশালী টাইফুন ও ঘূর্ণিঝড়ের উৎপত্তি হচ্ছে। পূর্ব এশিয়ার দ্বীপরাষ্ট্র তাইওয়ান, জাপান ও চীনের মোটর উপকূলীয় অঞ্চলগুলো ভৌগোলিক অবস্থানের কারণেই এসব ট্রপিক্যাল সাইক্লোনের প্রাথমিক লক্ষ্যে পরিণত হয়।
'চাম্পি'র মতো ক্যাটাগরি-৪ বা ৫ মাত্রার সুপার টাইফুনগুলো কেবল প্রবল বাতাসই নয়, বরং জলোচ্ছ্বাস, ব্যাপক জলোচ্ছ্বাসের ধ্বংসলীলা ও পাহাড়ধসের মতো বড় ধরণের প্রাকৃতিক বিপর্যয় ডেকে আনে। এর আগে গত কয়েক বছরেও একাধিক শক্তিশালী টাইফুনের মুখোমুখি হতে হয়েছে এই অঞ্চলকে, যার ফলে অবকাঠামোগত ব্যাপক ক্ষতির পাশাপাশি বিশাল অঙ্কের অর্থনৈতিক লোকসান গুনতে হয়েছিল দেশগুলোকে। সেই অভিজ্ঞতা থেকে এবার পূর্ব এশিয়ার তিন দেশই দুর্যোগ মোকাবিলায় আগাম প্রস্তুতি ও ফ্লাইট চলাচল বন্ধের কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে।