জুলাই কণ্যা সুরভী গ্রেপ্তার কাণ্ড নিয়ে এবার মুখ খুললেন ডাকসু নেতা এবি জুবায়ের। এ নিয়ে তিনি বেম বড় করে একটি ফেসবুক পোস্ট করেন। যেখানে তিনি সাংবাদিক দুর্জয়কে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান। দেশ খবরের পাঠকদের জন্য পুরো পোস্টটি হুবহু তুলে ধরা হলো।
সুরভী মেয়েটা জুলাই ঐক্যের বিভিন্ন প্রোগ্রামে আসতো মাঝেমধ্যে। বেশ চঞ্চল টাইপের মেয়ে, সবখানে দৌড়াদৌড়ি করে। আমাকে কয়েকবার বলেছিল তাকে যেন জুলাই ঐক্যে নিয়ে নেই। আমি গুরুত্ব দেইনি, ভালো চিনি না তাই।
এর মধ্যে শুনি সে নাকি চাঁদাবাজি করে। কোথায় কোন ব্যবসায়ীর কাছে ৫০ কোটি টাকা চাঁদা চেয়েছে। পরে পুলিশ তাকে গ্রে'ফতার করেছে।
সত্যি বলতে তার চলাফেরা বা বেশভূষা দেখে মনে হয় না ৫০ কোটি টাকা চাঁদা সে চাইতে পারে। সর্বোচ্চ ৫০ হাজার হইলে বিশ্বাসযোগ্য হয়। কিন্তু তাও কিছু বলি নাই কারণ কে কীরকম বলা যায় না। ভালোভাবে তো চিনিও না।
তাছাড়া জুলাইয়ের পরে বহুত ফকিন্নির পোলারে চোখের সামনে কোটিপতি হইতে দেখেছি তো তাই সহজে কাউকে বিশ্বাস বা অবিশ্বাস করতে পারি না। তাই চুপ থাকাই শ্রেয় মনে করলাম। পুলিশ তদন্ত করে দেখুক।
আর আজকে শুনি ঘটনা ভিন্ন। দুর্জয় নামে এক সাংবাদিক তাকে কুপ্রস্তাব দিয়েছিল। সে রাজি হয়নি বলে তার বিরুদ্ধে সংঘবদ্ধ মিডিয়া ট্র্যায়াল চালিয়ে তাকে প্রথমে তাকে বানানো হয় চাঁদাবাজ এবং পরে করানো হয় গ্রে'ফতার।
দুর্জয় কালবেলায় চাকরি করে। স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার সাথে ছবি দেখিয়ে সুরভীকে অফার করেছিল তার সাথে কক্সবাজার যাওয়ার। মেয়েটা রাজি হয়নি বলে আজকে এই পরিণতি! কথাবার্তার কলরেকর্ডও পাওয়া গেছে। অবিলম্বে দুর্জয়কে আইনের আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছি। প্রকৃত ঘটনা উন্মোচন হওয়া জরুরি।