গতকাল নওগাঁ থেকে রাজশাহী যাওয়ার বাসে সহকারী পুলিশ সুপার শ্যামলী রানী বর্মণের স্বামী জয়ন্ত বর্মণের সঙ্গে তর্কাতর্কি হয় বাস চালক বাদলের। দোষ ওনারই। উনি কেটেছেন সিটবিহীন টিকিট, কিন্তু উঠে আরেকজনের সিট দখল করে রাখেন। এতে বাসের সুপারভাইজার বাঁধা দিলে সে স্ত্রীর ক্ষমতার গরম দেখিয়ে বাসের ড্রাইভার এবং সুপারভাইজারকে হুম'কিধামকি দিয়ে নেমে যান।
রাতে তার স্ত্রী সহকারী পুলিশ সুপার শ্যামলী রানী বর্মণ সেই বাসের ড্রাইভারকে তার অফিসে ডাকেন। আসলে সে নিজেই ড্রাইভারের তলপেটে সজোরে লা'ত্থি মারেন। এরপর তার স্বামী সহ লোকজন দিয়ে বেধড়ক পিটি'য়েছেন বাস ড্রাইভার বাদলকে। বাদলের ভাষ্যমতে, পিটি'য়েছে শরীরের গোপন জায়গাগুলোতে।
এরকম একটা অমানবিক নি'র্যাতনের ঘটনা ঘটে গেল অথচ মেইনস্ট্রিম মিডিয়াগুলোতে তেমন প্রচার নাই। তারচেয়ে অবাক কথা, সারাজীবন শ্রমিক অধিকার কার্ড খেলে রাজনীতি করা বামপন্থীদেরও কোনো মশাল মিছিল নাই! কেন নাই? বিপরীতের মানুষটা নিয়ে রাজনীতি করতে গেলে স্ববিরোধী হয়ে যায়? একদিকে শ্রমিক অধিকার কার্ড আরেকদিকে সংখ্যালঘু কার্ড?
এক ফেসবুক পোস্টে এমন তথ্য জানান, ডাকসু নেতা এবি জুবায়ের।