ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ জৈষ্ঠ্য ১৪৩২, ২৬ রজব ১৪৪৭

‘বস্ত্রকেও ছাড়িয়ে যাবে ওষুধ’


⬇ Photo Card

‘বস্ত্রকেও ছাড়িয়ে যাবে ওষুধ’

রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ফার্মাসিউটিক্যাল ‘এসেনসিয়াল ড্রাগস কোম্পানি লিমিটেড’র এমডি প্রফেসর ডা. এহসানুল কবির জগলুল বলেন, বাংলাদেশে ওষুধ শিল্পের সম্ভাবনা ব্যাপক। দিন দিন এ শিল্প যেভাবে সম্প্রসারিত হচ্ছে তাতে সহজেই অনুমান করা যায় এ হার আরো বৃদ্ধি পাবে। একদিন হয়তো বস্ত্র শিল্পকেও ছাড়িয়ে যাবে।

তিনি বলেন, আমাদের দেশের উৎপাদিত ওষুধ দামে কম এবং মানে ভালো হওয়ায় বিদেশের মাটিতে চাহিদা দিন দিন ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। বাংলাদেশ ইতোমধ্যে বিশ্ববাজারে ওষুধ রফতানি করে বৃহৎ একটি স্থান দখল করে আছে। এটি এখন অন্যতম একটি রফতানিমূখী শিল্প।

তিনি বলেন, ক্রমবর্ধমান এ শিল্পের আকার দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। তার সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে কর্মক্ষেত্রও। প্রয়োজন হচ্ছে অ্যাকাউন্টস, প্রকৌশল ও অন্যান্য বিভাগে দক্ষ লোকবলের। এতে করে বড় একটা দক্ষ জনশক্তির কাজের সুযোগ তৈরি হচ্ছে। কমছে বেকারের সংখ্যা। সচল হচ্ছে দেশের অর্থনৈতিক চাকা।

নকল ওষুধের বিরুদ্ধে প্রয়োজন অভিযান
গুনগত মান ঠিক রেখে দাম কমানো কষ্টসাধ্য
দাম কমাতে সহায়তা করবে এপিআই শিল্প পার্ক

শুধু দেশেই নয় বিদেশে বাংলাদেশি ফার্মাসিস্টদের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। ইউরোপ, আমেরিকাসহ অন্যান্য দেশে দেশিয় ফার্মাসিস্টরা সফলতার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে। তারা সেখানে একটা গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে আছে। মেধাবীরা চাইলে বিদেশে তাদের ক্যারিয়ার গড়তে পারে।

ওষুধ শিল্পের সমস্যার কথা তুলে ধরে ডা. এহসানুল কবির বলেন, ওষুধ তৈরির মোট কাঁচামালের প্রায় ৯০ শতাংশ বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়। এতে করে গুনগত মান ঠিক রেখে ওষুধের দাম কম রাখা কষ্টসাধ্য হয়ে যায়। এছাড়া আরেকটি সমস্যা হলো নকল ওষুধ। দেশে বিপুল পরিমান নকল ওষুধ ডুকছে প্রতিনিয়তই। যদি এর লাগাম টেনে না ধরা হয় তাহলে এ শিল্প হুমকির মুখে পড়তে পারে। সরকারের উচিৎ নকল ওষুধের বিরুদ্ধে ঘনঘন অভিযান পরিচালনা করা।

আশার দিক উল্লেখ করে এসেনসিয়াল ড্রাগসের এমডি বলেন,  এ সমস্যা সমাধানে সরকার ইতোমধ্যে একটি ‘অ্যাকটিভ ফার্মাসিউটিক্যাল ইনগ্রেডিয়েন্ট (এপিআই) শিল্প পার্ক করার উদ্যোগ নিয়েছে। এ পার্কে ওষুধের কাঁচামাল উৎপাদন করা হবে। ফলে এ সমস্যার অনেকটাই সমাধান হয়ে যাবে।


   আরও সংবাদ