ঢাকা, সোমবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৬ চৈত্র ১৪৩২, ১০ জ্বমাদিউল সানি ১৪৪৭

ইসলামী ব্যাংক এতো অমানবিক!



ইসলামী ব্যাংক এতো অমানবিক!

ক্ষুধার তাড়নায় ইঁদুর ট্রাপে আটকে যাওয়ার পর হুশ ফিরে দেখে পেট বাচাতে গিয়ে জীবন বিপন্ন প্রায়। বাংলাদেশের এলিট ক্লাস ব্যাংক হলো ইসলামি ব্যাংক। হালাল ইনকাম আর জান্নাতে যাওয়ার প্রলোভনে মাস্টার্স পাস লোক নিয়েছে এসএসসি পাসের গ্রেডে। শর্ত ছিলো ৫ বছর পরে পদায়ন করা হবে তার যথার্থ স্থানে। কিন্তু গত কয়েক বছর যাবত পাচ শতাধিক লোয়ার এমপ্লোয়িদের অসহায়ত্বের শিকলে বেধে বন্ধ রাখা হয়েছে চ লমান পদোন্নতি প্রক্রিয়া। এখন তাদের ট্রাপে পড়া ইঁদুরের মতো লেজ নাড়ালেও মেরুদণ্ড ভাংগার অবস্থা।

সরকারের বিভিন্ন ডিপার্টমেন্ট, পুলিশ বা সেনাবাহিনীতেও ডিপার্টমেন্টাল সনদ অর্জন করলে তাদেরকে নেক্সট গ্রেডে পদায়নের ব্যবস্থা রয়েছে। সেখানে ব্যাংকিং ডিপ্লোমা সনদধারীও রয়েছে। ইসলামী ব্যাংকের এই লেভেলে কিন্তু মূল্যায়নের খাতা শুন্য। প্রমোশন থেকে তাদের আউটকাস্টিং করা হচ্ছে প্রতিনিয়ত। দেখার যেনো কেউ নেই।

সম্প্রতি প্রমোশন রেজাল্টের পর যখন সোস্যাল মিডিয়া আলহামদুলিল্লাহ ধ্বনিতে প্রকম্পিত হচ্ছে, বঞ্চিতরা তখন চোখের জলে ভাসছে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে অনেককেই রিটেন ভাইভা ছাড়া প্রমোশন দিয়েছেন ব্যাংকের এমডি মহোদয়। তাহলে মাস্টার্স পাস, ব্যাংকিং ডিপ্লোমা অর্জন করে ১০ বছরের অভিজ্ঞতার পরেও সাব-স্টাফদের পদোন্নতি দিতে অসুবিধা কোথায়?। এর ফলে গঞ্জে আগুন লাগলে কি দেবালয় সেইফ থাকবে?

তাই ব্যাংকের আমানতকারী, শুভাকাঙ্ক্ষী সকলেরই দাবি সকল গ্রেডে সঠিক মূল্যায়ন করা হোক। বিশেষকরে বঞ্চিত সাব-স্টাফদের যোগ্যতানুযায়ী মূল্যায়ন করে অসন্তোষ নিরসনে এমডি মহোদয় যেনো সুব্যবস্থা গ্রহণ করেন।

ফাতেমা বিনতে চৌধুরির ফেসবুক থেকে


   আরও সংবাদ