টঙ্গীর তুরাগ তীরে বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্বের প্রথমদিন দেশের বৃহত্তম জুমার নামাজ অনুষ্ঠিত হবে। শুক্রবার দুপুর দেড়টার দিকে মাওলানা সা’দ কান্ধলভীর বড় ছেলে মাওলানা ইউসুফ বিন সা’দ কান্ধলভী নামাজে ইমামতি করবেন। এরআগে সোয়া ১টায় জুম্মার খুতবা দেয়া হবে।
জুমার নামাজের উদ্দেশ্যে বিভিন্ন জেলা থেকে মুসল্লিরা বৃহস্পতিবার রাত থেকেই ইজতমা ময়দানের আশপাশে অবস্থান নিয়েছেন। দেশের বৃহত্তম এ জুমআর নামাজে অংশ নিতে শুক্রবার সকাল থেকেই মুসল্লিরা আসছেন।
সকাল থেকেই দেশের বিভিন্ন প্রান্তের মুসল্লিরা টঙ্গীর ইজতেমায় বৃহত্তর জুমার নামাজের জামাতে অংশ নিতে পায়ে হেঁটে ইজতেমা ময়দানে আসতে শুরু করেন। পরপর দুই বছর ইজতেমা না হওয়ায় এবারের ইজতেমায় সাধারণ মুসল্লিরাও উৎসাহ-উদ্দীপনা নিয়ে আগে ভাগেই অবস্থান নিয়েছে এবং অধিক সংখ্যক মুসল্লি হয়েছে। অনেকেই মুল সামিয়ানার নিচে স্থান না পেয়ে কামার পাড়া সড়কের পাশে ফুটপতে পলিথিন টানিয়ে তার নিচে অবস্থান নিয়েছেন।
মাঠ বুঝে নেয়ার পরপরই দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মুসল্লিরা ইজতেমা মাঠে আসতে শুরু করে। তারা ময়দান নির্দিষ্ট খিত্তায় অবস্থান নিয়েছেন। মুসল্লির জন্য দুইদিন আগে থেকেই প্রাথমিক আম বয়ান শুরু হলেও ইজতেমার মুল পর্ব শুক্রবার (২০ জানুয়ারি) বাদ ফজর থেকে শুরু হয়েছে। ইজতেমা ময়দান কানায় কানায় পরিপূর্ণ হয়ে গেছে। বিভিন্ন জেলা থেকে আরও মুসল্লিরা বাস, ট্রাক, পিকআপ, ট্রেন ও নৌ-পথে ময়দানের উদ্দেশ্যে আসছেন।
গাজীপুর মেট্টোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোল্যা নজরুল ইসলাম বলেন, বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্বের মতো দ্বিতীয় পর্বেও ব্যাপক নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। আগত মুসল্লিদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে পুরো ইজতেমা ময়দানকে কয়েকটি সেক্টরে ভাগ করে নিরাপত্তা কার্যক্রম পরিচালিত হবে। এ উপলক্ষে ময়দানের আশপাশে ৭ হাজার ৫৩৯ জন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। ইজতেমাকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী প্রথম পর্বে যেসব নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছিল এবারও ঠিক আগের মতোই নিরাপত্তা ব্যবস্থা অটুট থাকবে।