এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের (আকু) সেপ্টেম্বর-অক্টোবর মেয়াদের ১৬৪ কোটি ডলার আমদানি বিল পরিশোধের পর বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩৫ বিলিয়ন ডলারের নিচে নেমে এসেছে।
বৃহস্পতিবার দেশের গ্রস রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩৪ দশমিক ৮৫ বিলিয়ন ডলারে এবং আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাব পদ্ধতি বিপিএম৬ অনুযায়ী এটি ৩০ বিলিয়ন ডলারের নিচে অবস্থান করছে। এর আগের দিন বুধবার গ্রস রিজার্ভ ছিল ৩৬ দশমিক ৩৮ বিলিয়ন ডলার এবং বিপিএম৬ অনুযায়ী ৩১ দশমিক ৫২ বিলিয়ন ডলার। গত ৬ জুলাই রিজার্ভ সর্বোচ্চ ৩৭ দশমিক ৮৫ বিলিয়ন ডলারে উঠেছিল।
রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর অর্থপাচারে কড়াকড়ি এবং হুন্ডি কমে বৈধ পথে রেমিট্যান্স বাড়ায় একপর্যায়ে রিজার্ভ বাড়তে শুরু করেছিল। তবে সাম্প্রতিক বৈশ্বিক পরিস্থিতির কারণে ডলারের দর বাড়ার পাশাপাশি রিজার্ভ আবার কমছে। বৈদেশিক মুদ্রাবাজারে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে গত বুধবার বাজারে ১০ কোটি ডলার বিক্রি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক, এর আগের সপ্তাহে বিক্রি করা হয় আরও ১২ কোটি ২০ লাখ ডলার।
২০২৪ সালের আগস্টে সরকার পরিবর্তনের পর থেকে দীর্ঘদিন ডলার বিক্রি প্রায় বন্ধ থাকলেও বর্তমানে আন্তঃব্যাংকে ডলারের দর বেড়ে ১২৪ টাকা ৩৫ পয়সায় ঠেকেছে। অথচ আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর দেড় বছর এই দর ১২১ থেকে ১২২ টাকা ৩০ পয়সার মধ্যে বেশ স্থিতিশীল ছিল। কিন্তু অক্টোবরের শুরু থেকে ক্রমান্বয়ে বাড়তে বাড়তে মাসের শেষ কর্মদিবসে তা ১২৩ টাকা ৯৯ পয়সায় পৌঁছায়।